১৭ বছর আগের সার্সের মহামারিকেও ছাড়িয়ে গেল করোনাভাইরাস

প্রতিদিনই বাড়ছে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব। এরই মধ্যে দুই শতাধিক মানুষের প্রাণহানি হয়েছে এই ভাইরাসের কারণে। ভাইরাসটির ব্যাপকতা এতটাই ছড়িয়ে পড়েছে যে ভয়াবহতার দিক থেকে এটি ছাড়িয়ে গেছে ১৭ বছর আগের সার্স ভাইরাসকেও। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০০৩ সালে ২৬টি দেশে মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়েছিল সিভিয়ার অ্যাকিউট রেসপিরেটরি সিনড্রোম (সার্স)। অন্তত ৮ হাজার ১০০ লোক আক্রান্ত হয়েছিল সার্সে। আর করোনাভাইরাসে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এরই মধ্যে প্রায় ১০ হাজার লোক আক্রান্ত হয়েছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবকে বৈশ্বিক জরুরি অবস্থা হিসেবে ঘোষণা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। চীনের বাইরে বিভিন্ন দেশে এখন পর্যন্ত অন্তত ৯৮ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত করা হয়েছে। আজ শুক্রবার প্রথমবারের মতো যুক্তরাজ্যে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত দুজনকে শনাক্ত করা হয়েছে। এরই মধ্যে করোনাভাইরাসের প্রতিষেধক তৈরির কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন বিজ্ঞানীরা। সানডিয়াগো ইনোভিয়োস ল্যাবরেটরিতে করোনাভাইরাসের সম্ভাব্য প্রতিষেধক তৈরির উদ্দেশ্যে বিজ্ঞানীরা অপেক্ষাকৃত নতুন ধরনের ডিএনএ প্রযুক্তি ব্যবহার করছেন। প্রতিষেধকটিকে এখন পর্যন্ত বলা হচ্ছে ‘আইএনও-৪৮০০’। সামনের গ্রীষ্মে এটি মানুষের মধ্যে পরীক্ষা করা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

প্রতিদিনই বাড়ছে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব। এরই মধ্যে দুই শতাধিক মানুষের প্রাণহানি হয়েছে এই ভাইরাসের কারণে। ভাইরাসটির ব্যাপকতা এতটাই ছড়িয়ে পড়েছে যে ভয়াবহতার দিক থেকে এটি ছাড়িয়ে গেছে ১৭ বছর আগের সার্স ভাইরাসকেও। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০০৩ সালে ২৬টি দেশে মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়েছিল সিভিয়ার অ্যাকিউট রেসপিরেটরি সিনড্রোম (সার্স)। অন্তত ৮ হাজার ১০০ লোক আক্রান্ত হয়েছিল সার্সে। আর করোনাভাইরাসে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এরই মধ্যে প্রায় ১০ হাজার লোক আক্রান্ত হয়েছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবকে বৈশ্বিক জরুরি অবস্থা হিসেবে ঘোষণা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। চীনের বাইরে বিভিন্ন দেশে এখন পর্যন্ত অন্তত ৯৮ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত করা হয়েছে। আজ শুক্রবার প্রথমবারের মতো যুক্তরাজ্যে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত দুজনকে শনাক্ত করা হয়েছে। এরই মধ্যে করোনাভাইরাসের প্রতিষেধক তৈরির কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন বিজ্ঞানীরা। সানডিয়াগো ইনোভিয়োস ল্যাবরেটরিতে করোনাভাইরাসের সম্ভাব্য প্রতিষেধক তৈরির উদ্দেশ্যে বিজ্ঞানীরা অপেক্ষাকৃত নতুন ধরনের ডিএনএ প্রযুক্তি ব্যবহার করছেন। প্রতিষেধকটিকে এখন পর্যন্ত বলা হচ্ছে ‘আইএনও-৪৮০০’। সামনের গ্রীষ্মে এটি মানুষের মধ্যে পরীক্ষা করা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
Post a Comment